বৃহস্পতিবার, ১৩ Jun ২০২৪, ০৭:১২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী বায়জিদ কাউখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রের আত্মহত্যা কাজল সভাপতি- নুর উদ্দিন সম্পাদক পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন ভাণ্ডারিয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের খাদ্য সহয়তা বিতরণ কাউখালীতে ত্রাণ না পাওয়া মহিলা মেম্বারের পরিবারের উপর হামলা। নিহত-১ গ্রেফতার-২ কাউখালিতে ঘূর্ণিঝড় রিমেলে বিধ্বস্ত জোলাগাতি মাদ্রাসা , খোলা আকাশের নিচে পাঠদান ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শক্তি ফাউন্ডেশনের সহায়ত প্রদান কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন করা হয় মঠবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থিতা বাতিলের পরও সভা : কর্মীদের বাঁশের লাঠি নিয়ে প্রস্তুতির নির্দেশ মঠবাড়িয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল কাউখালীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ ৪ প্রার্থী জামানত হারান কাউখালীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবু সাঈদ মিয়া পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ভান্ডারিয়ায় মিরাজুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রাজপথে মোকাবেলা করতে হবে — যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ভান্ডারিয়ায় শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ভান্ডারিয়া উপজেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় মৎস্যজীবিদের মাঝে জাল ও বকনা বাছুর বিতরণ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য কাচারি ঘর বিলুপ্তির পথে ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় চেয়ারম্যানসহ দুই ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত
ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৭ মেয়র প্রার্থীর কার কত সম্পদ

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৭ মেয়র প্রার্থীর কার কত সম্পদ

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সাত মেয়র প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে সম্পদশালী আওয়ামী লীগের ফজলে নূর তাপস। তার বার্ষিক আয় প্রায় ১২ কোটি টাকা। নিজের ও স্ত্রীর নামে অস্থাবর মোট সম্পত্তি মূল্য ১১৮ কোটি ৭৬ লাখ ২২ হাজার ৩২০ টাকা। মোট স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৫ কোটি ৭৩ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪৮ টাকা। অতীতে দু’টি মামলা থাকলেও উচ্চ আদালত থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের বার্ষিক আয় ৯ কোটি টাকা। অস্থাবর সম্পদের পরিমান ৫ কোটি টাকা। স্থাবর সম্পদের পরিমাণ সাড়ে ৭৮ লাখ টাকা। ইশরাকের ক্রেডিট কার্ড, স্বল্প মেয়াদী ঋণ মিলিয়ে দেনা টাকার পরিমাণ ৬৫ লাখ ৪৬ হাজার ৭৪৩ টাকা। দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

শেখ ফজলে নূর তাপস: আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস আইন পেশায় নিয়োজিত। তার বাৎসরিক আয় ১১ কোটি ৯৭ লাখ ২ হাজার ৪৩৮ টাকা। হলফনামায় এই প্রার্থীর আয়ের উৎস উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষি খাত, বাড়ি/এপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া, ব্যবসা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত, শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক, চাকরি। শেখ ফজলে নূর তাপসের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের নামে ২৬ কোটি তিন লাখ ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৯৭ লাখ ২০৬ টাকা রয়েছে। হলফনামায় বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণে নিজের নামে তিন হাজার ৭৫০ ইউ এস ডলার (তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা), স্ত্রীর নামে ৮৭০০ ইউ এস ডলার (সাত লাখ ৩৫ হাজার টাকা) উল্লেখ করা হয়। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত টাকার পরিমাণ এক কোটি ৫৩ লাখ ৭৭ হাজার ২০৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে দুই কোটি ৫৭ লাখ ৩১ হাজার ২৩৫ টাকা জমা রয়েছে। বন্ড এবং বিভিন্ন কোম্পানীর শেয়ার বাজারে নিজের ৪৩ কোটি ২৭ লাখ ৫৫ হাজার ৪০৪ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে। এছাড়াও নিজের এবং স্ত্রীর কেনা বাস, ট্রাক, মটরগাড়ী, লঞ্চ, স্টিমার, বিমান ও মোটরসাইকেল নিজের নামে এবং স্ত্রীর নামে ৩২ কোটি ৯৫ লাখ ৯ হাজার ৩৮ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এছাড়াও নিজের নামে এক কোটি টাকার স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর নির্মিত অলংকার রয়েছে, স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্গার। শেখ ফজলে নূর তাপস এবং তার স্ত্রীর ১০ লাখ টাকার ইলেকট্রিক সামগ্রী রয়েছে। এছাড়াও পরিবারের আসবাপত্রের বিবরণীতে ১৭ লাখ টাকার আসবাবপত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নিজের ও স্ত্রীর নামে অস্থাবর মোট সম্পত্তি মূল্য ১১৮ কোটি ৭৯ লাখ ২২ হাজার ৩২০ টাকা।

শেখ ফজলে নূর তাপসের স্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজের ও স্ত্রীর নামে ৬ কোটি ৬৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬২০ টাকা মূল্যের ১১২ শতাংশ কৃষি জমি, নিজের নামে ৩৮ লাখ ১৯ হাজার ৫০ টাকার অকৃষি জমি এবং স্ত্রীর নামে পাঁচ কোটি ৪০ লাখ ২৪০ হাজার টাকার অকৃষি জমি। ৮ কোটি ৩৭ লাখ ২০ হাজার ৩১৩ টাকার দালান ও আবাসিক ভবন। স্ত্রী এবং নিজের নামে চার কোটি ৯৪ লাখ ৬২ হাজার ৩২৫ টাকা মূল্যের বাড়ি/ এপার্টমেন্ট। মোট স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৫ কোটি ৭৩ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪৮ টাকা। কেউ টাকা পাওয়ানা না থাকলেও বাড়ি ভাড়া বাবদ অগ্রিম নেওয়া ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৯৬ হাজার ২৫০ টাকা ভাড়াটিয়াদের কাছে দেনা রয়েছেন। হলফনামায় কোন ধরণে ব্যাংক লোন শেখ ফজলে নূর তাপসের নামে নেই বলে উল্লেখ করা হয়। এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় দুটি মামলা থাকলেও হাইকোর্ট বিভাগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ইশরাক হোসেন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন ইশরাক হোসেন। তার বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিভিন্ন খাত থেকে তার বাৎসরিক আয় ৯ কোটি ১৫ লাখ ৮ হাজার ৫০৯ টাকা। তার আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে, বাড়ি বা এপার্টমেন্ট, ব্যবসা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, চাকরি, এবং অন্যান্যখাত থেকে এই আয় করেন। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, সাদেক ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্ট লিমিটিড, বুড়িগঙ্গা ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, বুড়িগঙ্গা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, দিগন্ত প্রকৌশলী লিমিটেডের পরিচালক। ডাইনামিক স্টীল কমপ্লেক্স লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার। এছাড়াও ট্রান্স ও মিয়ানিক ট্রেডিং এর স্বত্তাধিকারী। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ৩৩ হাজার ১০৯ টাকা, তার কোন বৈদেশিক মূদ্রা নেই। ব্যাংক এবং আর্থিকখাতে তার জমাকৃত টাকার পরিমাণ এক কোটি ৩৭ লাখ ১৮ হাজার ৬৩ টাকা, শেয়ারবাজারে দুই কোটি ৯৬ লাখ টাকা, পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ ৪১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা, এক লাখ টাকার ইলেকট্রিক সামগ্রী এবং এক লাখ ৩১ হাজার ৪০০ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে এবং অন্যান্য বাবত ২০ লাখ ২৪ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। হলফনামায় উল্লেখ করা অস্থাবর সম্পদে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় চার কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার ৭২ টাকা।

ইশরাক হোসেনের স্থাবর সম্পদ রয়েছে ৩০ লাখ ২৫ হাজার ৬৫০ টাকা মূল্যের ৩৪.৫০ শতাংশ কৃষি জমি, ৩২ লাখ ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের ২৯.০৯ শতাংশ অকৃষি জমি, আবাসিক ও বাণিজ্যিক এবং এপার্টমেন্ট মিলিয়ে ১৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৪ টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে। তার মোট স্থাবর সম্পদের পরিমাণ হচ্ছে, ৭৮ লাখ ৫১ হাজার ৫২৪ টাকা। হলফনামায় উল্লেখিত হিসেব অনুযায়ী ইশরাকের ক্রেডিট কার্ড, স্বল্প মেয়াদী ঋণ মিলিয়ে দেনা টাকার পরিমাণ ৬৫ লাখ ৪৬ হাজার ৭৪৩ টাকা। এছাড়া কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তার কোন ধরণের ঋণ নেই বলে উল্লেখ করা হয়।

মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন: জাতীয় পার্টি-জাপা সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। তার বিরুদ্ধে কোন ধরণের মামলা নেই। তার বাৎসরিক আয় এক কোটি ৩৬ লাখ তিন হাজার ৪৩ টাকা। আয়ের উৎস বাড়ী ভাড়া, এপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে তার কাছে নগদ টাকা রয়েছে ৫৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পরিবহণ বাবত ১৭ লাখ টাকা এবং আসবাবপত্র ও অন্যান্য বীমার টাকা রয়েছে ৭০ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৯ টাকা। এই হিসেবে মোট অস্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮৯ টাকা। স্থাবর কোন সম্পদের হলফনামার বিবরণীতে নেই। তবে তিন ব্যাংকে সব মিলিয়ে দুই কোটি ৭৭ লাখ ৭ হাজার ৬০১ টাকার ঋণ রয়েছে। এছাড়াও স্ত্রীর নামে ন্যাশনাল ব্যাংকে আরও দুই কোটি টাকার ঋণ রয়েছে।

মো. আব্দুর রহমান: ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান। তার বিরুদ্ধে দুটি ফৌজদারি মামলা থাকলেও আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পরে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তার বাৎসরিক আয় আট লাখ ২৩ হাজার টাকা। আয়ের উৎস হচ্ছে, কৃষি, বাড়ী, দোকান ভাড়া এবং ব্যবসা। তার কাছে নগদ টাকা রয়েছে ৫৮ লাখ ৫২ হাজার ৯২ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে ৮৮২.৮৫ শতাংশ কৃষি জমি এবং ৪ তলা একটি বাড়ী রয়েছে। তার কোন ধরণের লোন নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ: বাংলাদেশ কংগ্রেসের মেয়র প্রার্থী আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ। হলফনামায় তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পেশায় তিনি একজন লেখক। নেই কোন বাৎসরিক আয়। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের এবং স্ত্রীর কাছে নগদ অর্থ রয়েছে তিন লাখ টাকা। দুজনের মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১১ লাখ ৬২ হাজার ৬০০ টাকা। তার কোন স্থাবর সম্পদ নেই।

আব্দুস সামাদ সুজন: আব্দুস সামাদ সুজন গণফ্রন্টের প্রার্থী। এই প্রার্থীর বাৎসরিক আয় দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা। আয়ের উৎস হচ্ছে কৃষি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তার নিজের এবং স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ এক লাখ ৫০ হাজার টাকার। স্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের নামে তিন বিঘা জমি যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। এবং শাহজাহানপুরে এক কাঠা জমির উপর ৪ তলা একটি ভবনের অর্ধেক তার নিজের নামে। কোন ধরণের ব্যাংক বা অন্য লোন নেই তার বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই।

মো. বাহরানে সুলতান বাহার: ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) সমর্থীত প্রার্থী বাহরানে সুলতান বাহার। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মোট ৫টি মামলা থাকলেও তিনটি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। এরমধ্যে দুটি মামলা বিচারাধীন। তার বাৎসরিক আয় দুই লাখ ২০ হাজার টাকা। যা ব্যবসা এবং বাড়ি ভাড়া থেকে আসে। স্থাবর সম্পদের মধ্যে তার কাছে নগদ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে। স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৫ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণ এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতু। সর্বমোট স্থাবর সম্পদের পরিমাণ সাত লাখ টাকার। তার অস্থাবর কোন সম্পদ নেই। নেই কোন ধরণের ঋণও।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!