সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
ভান্ডারিয়ায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী পালিত কৃষি কর্মকর্তা কর্তৃক সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ কাউখালীতে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন কাউখালীতে সংসারের হাল ধরতে বাবার পেশা খেয়া ঘাটের মাঝি হলেন স্কুল ছাত্রী মুনিরা ভান্ডারিয়ায় টাস্কফোর্স কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের দুর্যোগ সামগ্রী বিতরণ ভান্ডারিয়ায় ফুটপাতের অবৈধ দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ভান্ডারিয়ায় বজ্রপাতে কৃষকের ৪ মহিষের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের অনশন চার ঘন্টা পর প্রত্যাহার ভান্ডারিয়ায় দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষনের চেষ্টা॥ লম্পটের আংশিক লিঙ্গ কর্তন কারারক্ষী পদে চাকুরীর প্রলোভন অর্থ আদায় ভান্ডারিয়ায় প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার ভান্ডারিয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানীকে গরম পানি দিয়ে ঝলসে দেওয়া অভিযোগ (ভিডিও) ভান্ডারিয়ায় পাওয়ার গ্রিডে আগুন ৫ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ৪ ঘন্টা বন্ধ কাউখালীতে এনজিও ঋনে সাধারণ মানুষ জর্জরিত মঠবাড়িয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রশিক্ষণ ও উপকরন বিতরণ কাউখালীতে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সার্ক জার্নালিষ্ট ফোরাম বাংলাদেশ চাপ্টার এর কমিটি ঘোষণা ইন্দুরকানীতে সাঈদীর মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীর মৃত্যু পিরোজপুরে জাল টাকা ব্যবসায়ীর ১৪ বছরের কারাদন্ডাদেশ ভান্ডারিয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার
জনগ‌নের আস্থাভাজন হ‌লেন পি‌রোজপু‌রের এসপি হায়াতুল

জনগ‌নের আস্থাভাজন হ‌লেন পি‌রোজপু‌রের এসপি হায়াতুল

ভালো কিংবা খারাপ দুইটো দিকের প্রায়ই খবরের শিরোনাম হতে দেখা যায় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে। সবাই যে খারাপ তা বলছি না। তবে পুলিশ হলো সৎ মায়ের সেই অপ্রিয় সন্তান, যাকে যখন যেভাবে খুশি রাঙানো যায়। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বা উপরের কর্মকর্তারাও নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য করেণ ক্ষমতার অপব্যবহার। বিদ্যমান আইন, সমস্যা, বাধ্যবাধকতা যাই হউক, দিনশেষে সবাই ঢালাও ভাবে সমস্ত দায় বর্তান শুধু সৎ মায়ের ওই অপ্রিয় সন্তান পুলিশের উপরই। যাই হোক এসব কথা গনমাধ্যমে পড়তে পড়তে পাঠকরাও আজ বিরক্ত। আমাদের সমাজের এমন কিছু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিকে বৃদ্ধাঙ্গাগু দেখিয়ে নিজেকে মানবিক, বিনয়ী, সৎ, মেধাবী ও সর্বজনীন আস্থাভাজন হয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছেন পিরোজপুর জেলার পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান। পুলিশের এই কর্মকর্তার কাছে প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে নানা সমস্যা নিয়ে ছুটে আসেন সাধারণ মানুষ। তাঁর অফিসে কিছুক্ষণ বসলে দেখা যাবে হয়তো কোন কৃষক এসেছে তার জমি থেকে ২টি গাছ কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা আবার কেউ এসেছে পারিবারিক জামেলা নিয়ে এমন অসংখ্য সমস্যা,দুঃখ-কষ্ট নিয়ে অনেক মানুষ হাজির হন পুলিশ সুপারের অফিসে। সবার কথা তিনি গুরুত্বসহকারে শুনে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাথে সাথে ফোন করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তাই হয়তো সর্বজনীন আস্থাভাজন ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন এসপি হায়াতুল। এসপি হায়াতুল ইসলাম খান পিরোজপুরে যোগদান করেছিলেন ১৭ই জুন ২০১৯ সনে। মানবিক, বিনয়ী, সৎ,মেধাবী ও সেবা দান করে মাত্র ১ বছরের কম সময়ের মধ্যে প্রশংসায় এই কর্মকর্তা। পুলিশ সুপারের কাছে সোমবার সকালে ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী এলাকার কৃষক জগদিস দাস(ছবির ডান পাশে) আসেন,তার জমি থেকে ২টি গাছ কেটে নেয় দুর্বৃত্তরা।সে এই অন্যায়ের সঠিক বিচার চান। সে জানান,“এতো ছোট খাটো বিষয় নিয়া থানায় গেলে মোর ঘড়তে অবে। আর মানুষের কাছে শুনছি এই স্যারের কাছে আইলে সাথে সাথে কাজ হয়।মুই প্রথম এই বড় স্যারের কাছে আইছি।হে সমাধান করবে বলছে। পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল ও ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান,স্যার অত্যন্ত মানবিক ও বিনয়ী একজন মানুষ। আপনারা জানেন,স্যার এ জেলায় আসার পর থেকে পুলিশের জীবনমান উন্নয়ন, থানা এলাকাকে মাদক মুক্তকরণ, বাল্য বিবাহকে লাল কার্ড, কমিউনিটি পুলিশিং শক্তিশালী করতে কাজ করেছেন।বলতে গেলেও সফল হয়েছেন শতভাগ। প্রত্যেক মাসে আমাদের নিয়ে নিয়মিত মত বিনিময়, সকল পুলিশ সদস্যদের ভালো কাজে উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কার দেওয়া, তাছাড়া অসুস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাঁর রুটিন কাজ। তিনি আমাদের সফল একজন অভিভাবক। এসপি হায়াতুল ইসলাম খানের চাকুরীর জীবন,ব্যক্তিগত ও তাঁর চাওয়া-পাওয়ার বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার গোপালপুর গ্রামের একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান। আমার বাবা একজন সাবেক ব্যাংকার।

আমি ছোটবেলা থেকেই চাইতাম দেশ ও মানুষের জন্য কিছু কাজ করতে। এখন আমার সময়,শক্তি আছে। একদিন হয়তো আমি থাকবো না, যদি মানুষের জন্য কিছু ভালো কাজ করে যেতে পারি সেটাই আমার বড় পাওয়া। কাজের জন্য হলেও মানুষ আমাকে দোয়া করবে। তিনি আরো বলেন,চাকুরী থেকে অবসরে গেলে পরিবার নিয়ে আমার গ্রামের মানুষের সাথে বসবাস করবো। সত্যি কথা বলতে কাজের কারণে আমার পরিবারকে তেমন সময় দিতে পারিনা। আমার দুটো সন্তান। বাবা হিসাবে তাদের সৎ ও দেশপ্রেমী হিসাবে গড়ে তুলবো এবং বাকী জীবনেও আমার লক্ষ্য দেশের সেবা। এসপি হায়াতুল সরকারি চাকুরীতে যোগ দেন ২০০০ সালে। প্রথমে বন বিভাগে কর্মকর্তা ও ২০০৫ সনে যোগ দেন পুলিশ বাহিনীতে। তিনি যেখানেই কাজ করেছেন হয়েছেন সফল। তাঁর সহকর্মীরাও খুব ভালোবাসেন তাকে। আমাদের সমাজ প্রগতিশীল ভাবে পরিবর্তন করতে হলে এমন সৎ,দেশপ্রেমী ও মেধাবী পুলিশ অফিসার থাকা দেশের জন্য জরুরী।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন










© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana