বুধবার, ২৬ Jun ২০২৪, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকার আপনাদের পাশে আছে, আমরা আপনাদের খোঁজখবর নিচ্ছি- জেলা প্রশাসক জাহেদুর রহমান কাউখালীতে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সার, বীজ ও নারকেল চারা বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় ২ পথচারী নিহত, আহত ৪ সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে এলাকার শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব- মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী বায়জিদ কাউখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রের আত্মহত্যা কাজল সভাপতি- নুর উদ্দিন সম্পাদক পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন ভাণ্ডারিয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের খাদ্য সহয়তা বিতরণ কাউখালীতে ত্রাণ না পাওয়া মহিলা মেম্বারের পরিবারের উপর হামলা। নিহত-১ গ্রেফতার-২ কাউখালিতে ঘূর্ণিঝড় রিমেলে বিধ্বস্ত জোলাগাতি মাদ্রাসা , খোলা আকাশের নিচে পাঠদান ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শক্তি ফাউন্ডেশনের সহায়ত প্রদান কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন করা হয় মঠবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থিতা বাতিলের পরও সভা : কর্মীদের বাঁশের লাঠি নিয়ে প্রস্তুতির নির্দেশ মঠবাড়িয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল কাউখালীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ ৪ প্রার্থী জামানত হারান কাউখালীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবু সাঈদ মিয়া পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ভান্ডারিয়ায় মিরাজুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রাজপথে মোকাবেলা করতে হবে — যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ
করোনায় আক্রান্ত কিনা নিশ্চিত হতে যেসব পরীক্ষা করা হয় হাসপাতালে

করোনায় আক্রান্ত কিনা নিশ্চিত হতে যেসব পরীক্ষা করা হয় হাসপাতালে

বিশ্বব্যাপী এখন আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯। নিয়ন্ত্রণে আসার কোনও নামই নিচ্ছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। যেন বিশ্বব্যাপী ত্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ভাইরাস। এরই মধ্যে ১০৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। বাংলাদেশেও তিনজন করোনা আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে।

করোনা আক্রান্তের লক্ষণগুলো অনেকটা সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতোই। এখন আবহাওয়া বদলাচ্ছে। শীত চলে গিয়ে গরম পড়ছে। তার মধ্যে মেঘ-বৃষ্টির খেলা তো চলছেই। এই সময়েই আবার বিভিন্ন সাধারণ জ্বর-সর্দির ভাইরাসও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।
জ্বর-সর্দি-কাশি-গলা ব্যথা হলেই যে করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন, তা কিন্তু একেবারেই নয়। এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল- আপনি বা আপনার পরিবারের কোনও সদস্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা কিভাবে বুঝবেন?

করোনা আক্রান্ত রোগীকে চিহ্নিত করার বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। সেই পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট টেস্ট কিট প্রাইমারের সাহায্যেই একমাত্র এই রোগ নির্ণয় করা যায়। আসুন জেনে নিই কিছু নিয়ম:-

স্বোয়াব টেস্ট: একটা লম্বা টিউবে তুলা জড়িয়ে রোগীর মুখ হাঁ করিয়ে গলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় এক্ষেত্রে। মূলত তুলায় রোগীর যে লালা লাগবে, সেটাকেই নমুনা হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

নাজাল অ্যাসপিরেট: রোগের উপসর্গ দেখে চিকিৎসক যদি রোগীকে করোনা টেস্ট করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন, সে ক্ষেত্রে তাকে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। ল্যাবরেটরিতে নাজাল অ্যাসপিরেট টেস্টের মাধ্যমেও নমুনা সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

এ ক্ষেত্রে রোগীর নাকের মধ্যে স্যালাইন সলিউশন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। তারপর সেটা নমুনা হিসাবে সংগ্রহ করা হয়। বা যে সমস্ত রোগী মারাত্মক সর্দিতে ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে ওই সর্দির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

স্পুটাম টেস্ট: ফুসফুসে কোনও রকম সংক্রমণ হলেই প্রচুর পরিমাণে মিউকাস নির্গত হতে থাকে। ফুসফুসের এই মিউকাসকই হল স্পুটাম। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ফুসফুস থেকে যে মিউকাস নির্গত হয়, সেই নমুনা সংগ্রহ হল স্পুটাম টেস্ট।

রক্ত পরীক্ষা: শরীরে কোনও রোগ-জীবাণু বাসা বাঁধলে রক্তের সংস্পর্শে তা আসবেই। করোনা ভাইরাস বাতাসবাহিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে বলে গলা ব্যথা ও সর্দির মাধ্যমে এই অসুখের সূত্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। সঙ্গে জ্বর তো থাকেই। শরীরে রক্তের মধ্যেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। তাই রোগীর রক্তের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

ট্র্যাকিয়াল অ্যাসপিরেট: একইভাবে শ্বাসনালী থেকেও অনেক সময় নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

তবে এখনও পর্যন্ত যে পাঁচটি পদ্ধতির করা উল্লেখ করা হল, তা রোগীর থেকে নমুনা সংগ্রহের পদ্ধতি মাত্র। নমুনা সংগ্রহের পর বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ল্যাবরেটরিতে সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমেই একমাত্র রোগীর শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

তা হল আরটিপিসিআর বা রিয়েল টাইম পলিমিরেজ চেন রিঅ্যাকশন। রোগীর থেকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে যে সমস্ত নমুনা সংগ্রহ করা হল, সেই নমুনায় করোনা ভাইরাস রয়েছে কি না তা জানতেই ল্যাবরেটরিতে এই আরটিপিসিআর করা হয়।

এর জন্য নির্দিষ্ট যন্ত্র রয়েছে। সেই যন্ত্রে করোনাভাইরাসের জেনেটিক কপি রয়েছে। এখন রোগীর থেকে সংগৃহীত নমুনার সঙ্গে মেশিনে থাকা ওই ভাইরাসের জেনেটিক কোড মেলানো হয়। যদি মিলে যায়, তা হলে রোগী করোনা পজিটিভ।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!