শুক্রবার, ২১ Jun ২০২৪, ০৫:২২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে এলাকার শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব- মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী বায়জিদ কাউখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রের আত্মহত্যা কাজল সভাপতি- নুর উদ্দিন সম্পাদক পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন ভাণ্ডারিয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের খাদ্য সহয়তা বিতরণ কাউখালীতে ত্রাণ না পাওয়া মহিলা মেম্বারের পরিবারের উপর হামলা। নিহত-১ গ্রেফতার-২ কাউখালিতে ঘূর্ণিঝড় রিমেলে বিধ্বস্ত জোলাগাতি মাদ্রাসা , খোলা আকাশের নিচে পাঠদান ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শক্তি ফাউন্ডেশনের সহায়ত প্রদান কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন করা হয় মঠবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থিতা বাতিলের পরও সভা : কর্মীদের বাঁশের লাঠি নিয়ে প্রস্তুতির নির্দেশ মঠবাড়িয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল কাউখালীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ ৪ প্রার্থী জামানত হারান কাউখালীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবু সাঈদ মিয়া পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ভান্ডারিয়ায় মিরাজুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রাজপথে মোকাবেলা করতে হবে — যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ভান্ডারিয়ায় শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ভান্ডারিয়া উপজেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় মৎস্যজীবিদের মাঝে জাল ও বকনা বাছুর বিতরণ
লকডাউন কতদিন প্রয়োজন

লকডাউন কতদিন প্রয়োজন

বিশ্বের নানা দেশ এখন করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে মরিয়া হয়ে লড়ছে। বিশ্বের প্রতিটি দেশই প্রায় পুরো দেশ লকডাউন করে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও গত ২৬ মার্চ থেকে কার্যত লকডাউন শুরু হয়েছে, যা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় দীর্ঘ ১৭ দিন চলবে। এর পরেও তা বৃদ্ধি করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ব জুড়েই আলোচিত হচ্ছে লকডাউন কতদিন প্রয়োজন? কিংবা কতদিন লকডাউন চললে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বন্ধ করা সম্ভব হবে?

কোনো কোনো গবেষক বলছেন, লকডাউন তিন সপ্তাহের বেশি হওয়া উচিত নয়। আবার কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ বলছেন, লকডাউন চলমান থাকা অবস্থায় কিছু কিছু চলাচল শিথিল করা যেতে পারে। এদিকে আমেরিকার একদল গবেষক বলছেন, লকডাউন নির্দিষ্ট দেশটিতে সংক্রমণের মাত্রাভেদে তিন সপ্তাহ থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত করা যেতে পারে।

এদিকে ভারতের গবেষক বলছেন, লকডাউন তিন সপ্তাহের বেশি করা উচিত নয়। এরপর সীমিত আকারে চলাচল চালু করা প্রয়োজন। তা না হলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে রাষ্ট্র। এদিকে কোভিড-১৯-এর উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে লকডাউন উঠে যাচ্ছে আসছে ৮ এপ্রিল, প্রায় ৭২ দিন পর। গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকেই উহানকে সারা বিশ্ব থেকে আলাদা করে রাখা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর উহান শহর থেকে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। তিন মাসের মধ্যে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। চীনে মহামারি রূপ নেওয়ার পর ভাইরাসটি তাণ্ডব চালাতে শুরু করে ইউরোপ জুড়ে। এরপর ভারত, বাংলাদেশেও এ ভাইরাসের সংক্রমণ সীমিত আকারে দেখা যাচ্ছে।

এই লকডাউন আর কতদিন চলবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আমেরিকার একদল গবেষক বলছেন, কোনো দেশ যদি তিন সপ্তাহ কঠোর লকডাউন মেনে চলে, তবে এই মহামারি কিছুটা সংযত করা সম্ভব। আর চার সপ্তাহ, মানে এক মাস লকডাউন চালিয়ে গেলে এই মহামারি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে সবচেয়ে ভালো হয় ছয় সপ্তাহ, মানে ৪২ দিন লকডাউন হলে। এই গবেষণায় বলা হয়েছে, ছয় সপ্তাহ লকডাউন হলে কোনো দেশ পুরোপুরি এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারে। বিশ্বের ৩৬টি দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যের ওপর গবেষণা করেছেন সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্শাল স্কুল অব বিজনেসের একদল গবেষক। এ গবেষণা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে হংকংয়ের সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

এই গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত হয় ব্যাপকভাবে করোনা পরীক্ষা ও কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করতে হবে, অথবা কয়েক মাসব্যাপী লকডাউন ও ঘরে থাকার নির্দেশ মেনে চলতে হবে। ব্যাপকভাবে করোনা পরীক্ষা ও কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা ব্যয়বহুল হওয়ায় লকডাউনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আশার বাণী শুনিয়েছেন ভারতের পদ্মভূষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক জি পি নাগেশ্বর রেড্ডি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই চিকিৎসক ভারতের লকডাউন প্রসঙ্গে বলেছেন, তিন সপ্তাহের বেশি দেশব্যাপী লকডাউনের পর আর তা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। রেড্ডি বলেন, লকডাউন দুইভাবে করা হচ্ছে—প্রথমত এলাকা লকডাউন, দ্বিতীয়ত পুরোপুরি লকডাউন।

আরেকটি পন্থা হলো সবকিছু খোলা রেখে সবাইকে টেস্ট করানো, যেটা দক্ষিণ কোরিয়া করেছে। সেখানে সবকিছু খোলা আছে, কিন্তু তারা ব্যাপকভাবে টেস্ট করেছে। টেস্টে যাদের পজিটিভ পাওয়া গেছে, তাদের আলাদা করে ফেলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, রেড জোন বা সিলেকটিভ জোন। কিন্তু ভারতে অধিক জনসংখ্যার কারণে ব্যাপক হারে টেস্ট করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দুই-তিন সপ্তাহের লকডাউন প্রয়োজন। এরপর জনগোষ্ঠীর এক নির্দিষ্ট অংশ, যাদের বয়স বেশি এবং যাদের শারীরিক অন্য সমস্যা আছে, তারা ঝুঁকিপূর্ণ।

তাই এসব মানুষের টেস্ট করতে হবে, তাদের আলাদা রাখতে হবে। অপেক্ষাকৃত কম বয়স যাদের এবং যাদের অন্য সমস্যা নেই, তাদের মুক্তভাবে চলতে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সবই করতে হবে নির্দিষ্ট মেয়াদের লকডাউন শেষ হওয়ার পর। তবে দীর্ঘ সময় লকডাউনের বিপক্ষে তিনি। তিন সপ্তাহের বেশি লকডাউন হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন রেড্ডি।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!