বুধবার, ২৬ Jun ২০২৪, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকার আপনাদের পাশে আছে, আমরা আপনাদের খোঁজখবর নিচ্ছি- জেলা প্রশাসক জাহেদুর রহমান কাউখালীতে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সার, বীজ ও নারকেল চারা বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় ২ পথচারী নিহত, আহত ৪ সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে এলাকার শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব- মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী বায়জিদ কাউখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রের আত্মহত্যা কাজল সভাপতি- নুর উদ্দিন সম্পাদক পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন ভাণ্ডারিয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের খাদ্য সহয়তা বিতরণ কাউখালীতে ত্রাণ না পাওয়া মহিলা মেম্বারের পরিবারের উপর হামলা। নিহত-১ গ্রেফতার-২ কাউখালিতে ঘূর্ণিঝড় রিমেলে বিধ্বস্ত জোলাগাতি মাদ্রাসা , খোলা আকাশের নিচে পাঠদান ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শক্তি ফাউন্ডেশনের সহায়ত প্রদান কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন করা হয় মঠবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থিতা বাতিলের পরও সভা : কর্মীদের বাঁশের লাঠি নিয়ে প্রস্তুতির নির্দেশ মঠবাড়িয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল কাউখালীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ ৪ প্রার্থী জামানত হারান কাউখালীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবু সাঈদ মিয়া পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ভান্ডারিয়ায় মিরাজুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রাজপথে মোকাবেলা করতে হবে — যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ
অস্ত্রের নাম ছিল ‘ধৈর্য’

অস্ত্রের নাম ছিল ‘ধৈর্য’

দুই দশক আগে ক্রিকেটবিশ্বে দুর্দান্ত এক দ্বৈরথ ছিল শচীন টেন্ডুলকার আর গ্লেন ম্যাকগ্রার মাঝে। দুই দুধর্ষ ক্রিকেটার একে অন্যকে ঘায়েল করার চেষ্টা করতেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জিতে যেতেন শচীন। কারণ তার কাছে অসাধারণ এক অস্ত্র ছিল। সেই অস্ত্রের নাম ‘ধৈর্য’। এবার করোনার অবসরে শচীন টেন্ডুলকার শোনালেন ১৯৯৯ সালে অ্যাডিলেড টেস্টে গ্লেন ম্যাকগ্রার আগুনে বোলিংয়ের বিপক্ষে দ্বৈরথ জয়ের কাহিনি।

১৯৯৯ সালে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফরে প্রথম ম্যাচ ছিল অ্যাডিলেডে। শচীনের কথায়, ‍’প্রথম ইনিংসের খেলা মিনিট ৪০ বাকি ছিল। ম্যাকগ্রা ওই সময়ে ৫ কিংবা ৬ ওভার মেডেন করেছিল। ওদের রণনীতি ছিল, শচীনকে হতাশ করে দাও। তাই ৭০ শতাংশ বল যাচ্ছিল উইকেটরক্ষক অ্যাডাম গিলক্রিস্টের কাছে। আর ১০ শতাংশ বল আমার ব্যাটের খুব কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। বাকি যে বলগুলো অফস্টাম্পের বাইরে রাখছিল, তাতে ব্যাট ছোঁয়ালেই আউট হতাম।’

শচীন বলেছেন, ‘তাই বল ছাড়ছিলাম। বেশ কিছু বলে পরাস্তও হচ্ছিলাম। কিন্তু আমি ম্যাকগ্রাকে বলে যাচ্ছিলাম, ‍ভাল বল। যাও, পরের বলটা করো। কারণ আমি এখন আউট হব না। পরের দিন সকালে পাল্টা আক্রমণ করি ম্যাকগ্রাকে। পর পর বেশ কয়েকটা চার মারতেই ম্যাকগ্রাদের পরিকল্পনা ধাক্কা খায়। আগের দিন বিকেলে ধৈর্য দেখিয়েছিলাম। সে দিন সকালে যে ভাবে চাই সে ভাবেই খেলতে পেরেছি। ম্যাকগ্রার মতো বোলারের বিপক্ষে ধৈর্যই ছিল আমার বড় অস্ত্র।’

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!