মঙ্গলবার, ১৬ Jul ২০২৪, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কাউখালীতে ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক কাউখালীতে কৃষকদের মাঝে ফলের চারা বিতরণ বালু বোঝাই বাল্ক‌হেডের ধাক্কায় ব্রিজ ভে‌ঙে খা‌লে এক বছরেও পুণ:নির্মাণ হয়নি নাজিরপুরে যে কারনে মাকে কুপিয়ে হত্যা করলো ছেলে ৯ বছরের সাজার জন্য ৩৫ বছর পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩৩ দিন হলেও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি কাউখালীতে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলাম শিক্ষার ক্লাস নিচ্ছেন হিন্দু শিক্ষক পিরোজপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিশেষ সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন কাউখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে দেখা গেল সাপ কাউখালী উপজেলা অস্থায়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই চিকিৎসক নেই বেড, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে কাউখালীতে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে হাইজিন কিট বিতরন পিরোজপুরে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অথের্র চেক বিতরণ কাউখালীতে জমি জমা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৪, গ্রেপ্তার ৪ নেছারাবাদে রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ব্র্যাকের মানবিক সহায়তা প্রদান সরকার আপনাদের পাশে আছে, আমরা আপনাদের খোঁজখবর নিচ্ছি- জেলা প্রশাসক জাহেদুর রহমান কাউখালীতে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সার, বীজ ও নারকেল চারা বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় ২ পথচারী নিহত, আহত ৪ সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে এলাকার শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব- মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী বায়জিদ
কেবল একটি হুইল চেয়ারের আকুতি!

কেবল একটি হুইল চেয়ারের আকুতি!

মো. কাউসার। বয়স ২৫। ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের দেবিরচর এলাকার খলিফা বাড়ির দিনমজুর বাবার সন্তান সে। তবে সংসারে সে যেনো এক বোঝা। মাত্র ১২ বছর বয়সে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে হারিয়ে ফেলে শারীরিক সক্ষমতা। হয়ে যায় প্রতিবন্ধী। এরপর থেকে লাঠির ওপর ভর করেই চলতে হচ্ছে তাকে। লাঠি ভর করেও ঠিকঠাক চলতে পারে না কাউসার। চলতে গেলে বার বার লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। কথাও বলতে পাড়েন না ভালো করে। প্রতিনিয়তই নিজের সাথে নিজে সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন তিনি। এখন সংসারের কাছেও বোঝা হয়ে আছেন কাউসার। কাউসারের বাবা আবুল কালামও একজন দিনমুজর। অন্যের ক্ষেত-খামারে কাজ করে সংসার চালান তিনি। মানুষের কাজ শেষে বাড়ি এসে কাউসারকে পরিচর্যা করতে হয় তার।
সন্তান কাউসারের জন্য একটি হুইল চেয়ারের আকুতি জানিয়ে আবুল কালাম বলেন, খুব ছোট বেলায় কাউসারের মা যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে সংসারে তিন ছেলে রেখে মারা যান। এরপর থেকে তিন সন্তানকে অনেক কষ্ট করে বড় করতে হয়েছে। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আমার তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে আলমগীর ও মেজ ছেলে এই কাউসার হয়ে যায় প্রতিবন্ধী। ছোট ছেলে ফোরকান ভালো আছে। তবে সে বিয়ে করে এখন ভিন্ন সংসার করছেন। আমাদের কোনো খোঁজ খবর নেয় না। বড় ছেলে আলমগীর ঢাকায় থাকে। সেখানে ভিক্ষা করে সে। তবে মেজ ছেলে কাউসারকে নিয়ে এখন আমার কষ্টের শেষ নেই।
তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত কাউসারের দেখাশোনা করতে হয় আমাকে। লাঠি ভর করে গিয়ে মানুষের কাছে হাত পাতে। ঠিকঠাক চলতে পারে না কাউসার। কিছুক্ষণ পরপরই মাটিতে পড়ে যায়। মাঝে মাঝে পড়ে গিয়ে প্রচণ্ড আঘাত পায়। অনেক সময় আবার পড়ে গিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণও হয়। এমন অবস্থায় কেউ যদি কাউসারকে একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে আমার এই ছেলেটি একটু ভালোভাবে চলতে পারবে। তাই আমি সমাজের বিত্তবান ও কর্তৃপক্ষের কাছে একটি হুইল চেয়ারের দাবী জানাচ্ছি।
এব্যাপারে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন প্রতিবেদককে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার মাধ্যমেই আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। ওই ব্যক্তির পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে শিগগিরই একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!