বুধবার, ১৭ Jul ২০২৪, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কাউখালীতে বিআরডিবি অফিসের জনবল সংকট, কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভুক্তভোগী জনগণ কাউখালীতে ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক কাউখালীতে কৃষকদের মাঝে ফলের চারা বিতরণ বালু বোঝাই বাল্ক‌হেডের ধাক্কায় ব্রিজ ভে‌ঙে খা‌লে এক বছরেও পুণ:নির্মাণ হয়নি নাজিরপুরে যে কারনে মাকে কুপিয়ে হত্যা করলো ছেলে ৯ বছরের সাজার জন্য ৩৫ বছর পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩৩ দিন হলেও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি কাউখালীতে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলাম শিক্ষার ক্লাস নিচ্ছেন হিন্দু শিক্ষক পিরোজপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিশেষ সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন কাউখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে দেখা গেল সাপ কাউখালী উপজেলা অস্থায়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই চিকিৎসক নেই বেড, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে কাউখালীতে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে হাইজিন কিট বিতরন পিরোজপুরে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অথের্র চেক বিতরণ কাউখালীতে জমি জমা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৪, গ্রেপ্তার ৪ নেছারাবাদে রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ব্র্যাকের মানবিক সহায়তা প্রদান সরকার আপনাদের পাশে আছে, আমরা আপনাদের খোঁজখবর নিচ্ছি- জেলা প্রশাসক জাহেদুর রহমান কাউখালীতে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সার, বীজ ও নারকেল চারা বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় ২ পথচারী নিহত, আহত ৪ সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে এলাকার শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব- মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
কৃষকের সন্তানের হাত ধরে তৈরি হচ্ছে যে করোনা ভ্যাকসিন!

কৃষকের সন্তানের হাত ধরে তৈরি হচ্ছে যে করোনা ভ্যাকসিন!

গোটা বিশ্বের ত্রাস করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারে নয়া ইতিহাস গড়ার পথে ভারত। যার ফলে বিশ্বজুড়ে করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গেলেন দেশটির বিজ্ঞানীরা।

চলতি জুলাই মাসেই ‘ভারত বায়োটেকের’ তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’ টিকা মানবদেহে ট্রায়াল শুরু হচ্ছে। মোট দু দফায় চলবে এই পরীক্ষা। ছাড়পত্র মিলেছে দেশটির ডিসিজিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের।
হায়দরাবাদের ওষুধ প্রস্তুকারক সংস্থা ভারত বায়োটেককে এই কাজে যৌথভাবে সহায়তা করেছে আইসিএমআর। গত সোমবার করোনার টিকা আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. কৃষ্ণ ইল্লা।

কিন্তু কে এই ড. কৃষ্ণ ইল্লা? যার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারে আশার আলো দেখছে ভারত। তিনি আর কেউ নন তামিলনাড়ুর তিরুথানির বাসিন্দা এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান তিনি। ছোটোবেলা থেকেই পড়াশুনোর প্রতি আগ্রহী এবং মেধাবী ছিলেন তিনি। ফলে অভাব অনটনের সংসারে জন্মেও নিজের ইচ্ছায় আজ তিনি এতদূর পৌঁছতে পেরেছেন। তার সাফল্যে আজ গর্বিত গোটা ভারত।

তিনি জানিয়েছেন, পড়াশোনা শেষ করে আর পাঁচটা সন্তানের মতো তারও ইচ্ছা ছিল বাবার কাজে সহযোগিতা করার। কীভাবে জমিতে ফলন আরও বাড়ানো যায়, ফসলের যত্ন নেওয়া প্রভৃতি বিষয়েই তার ছোটো থেকেই আগ্রহ ছিল। পড়াশোনাও করেছিলেন কৃষিবিদ্যা নিয়ে। তবে বিধাতা হয়তো চাননি তিনি কৃষিবিদ হোন। ফলে সংসারে চাপে কলেজ শেষের পর একটি ওষুধ প্রস্তুকারক সংস্থায় সহকারী কর্মী হিসেবে নিযুক্ত হন। সেখানে অবশ্য তাকে কৃষি বিষয়ক জিনিস দেখভাল করতে হতো।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই কোম্পানিতে কাজ করতে করতে স্কলারশিপ পান তিনি। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি বিদেশে চলে যান।

আমেরিকা গিয়ে সেখানকার হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি প্রথমে মাস্টার্স এবং ইউনিভার্সিটি অফ উইসকন-ম্যাডিসন থেকে পিএচইডি শেষ করেন। এরপর ১৯৯৫ সালে তিনি নিজের দেশে ফিরে আসেন। যদিও সেভাবে ভারতে আসার কোনও ইচ্ছায় ছিল না তার।

এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “দেশে ফেরার আগে মা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে এরপর আমি কী করব? আমার কী ইচ্ছা।”

তিনি জানান, শেষ পর্যন্ত মায়ের ইচ্ছাতেই দেশে ফেরা তার। দেশে ফিরে নতুন কিছু আবিষ্কারের নেশায় মত্ত হয়ে যান তিনি।

জানা গেছে, সেই সময় দেশে হেপাটাইটিস ভাইরাস ঘটিত রোগের টিকার খুব চাহিদা ছিল।

ঠিক সেই সময় তিনি হায়দরাবাদে একটি ল্যাব তৈরি করে সেখানেই মেডিকেলের কাজকর্ম নিয়ে আলোচনা গবেষণা চলত। আর সেখান থেকেই পথচলা শুরু ‘ভারত বায়োটেক’ কোম্পানির। এরপর তাদের কোম্পানি হেপাটাইটিস রোগের টিকা আবিষ্কারের প্রস্তাব দেয় সরকারকে। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের খরচ হিসেবে ধরা হয়েছিল ১২.৫ কোটি, যা পরে বাজারজাত করার সময় ৩৫ থেকে ৪০ ডলারে বিক্রি করা হয়েছিল।

যদিও সেইসময় এতগুলো টাকা একসঙ্গে জোগার করা খুব একটা সহজ কাজ ছিল না। কোনও ব্যাংক ঋণ দিতেও চাইছিল না। এই অবস্থায় ভারত বায়োটেকের পাশে এসে দাঁড়ায় আইডিবিআই ব্যাংক। তারা ২ কোটি রুপি দিয়ে ভারত বায়োটেককে হেপাটাইটিস এর টিকা আবিষ্কারে সাহায্য করে।

আর এর প্রায় চার বছর পর হেপাটাইটিসের টিকা আবিষ্কারে সফলতা লাভ করে ভারত বায়োটেক কোম্পানি, যা ১৯৯৯ সালে দেশটির তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের হাত ধরে প্রথম বাজারে আসে।

এরপর সারাদেশে প্রায় ৩৫মিলিয়ন ওষুধ সরবরাহ করা হয় এবং ধীরে-ধীরে পৃথিবীর প্রায় ৬৫টি দেশে হেপাটাইটিস রোগের টিকা রফতানি করা হয়। যার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০মিলিয়ন ডোজ। সূত্র: কলকাতা২৪

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!