বুধবার, ১৭ Jul ২০২৪, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কাউখালীতে বিআরডিবি অফিসের জনবল সংকট, কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভুক্তভোগী জনগণ কাউখালীতে ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক কাউখালীতে কৃষকদের মাঝে ফলের চারা বিতরণ বালু বোঝাই বাল্ক‌হেডের ধাক্কায় ব্রিজ ভে‌ঙে খা‌লে এক বছরেও পুণ:নির্মাণ হয়নি নাজিরপুরে যে কারনে মাকে কুপিয়ে হত্যা করলো ছেলে ৯ বছরের সাজার জন্য ৩৫ বছর পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩৩ দিন হলেও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি কাউখালীতে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলাম শিক্ষার ক্লাস নিচ্ছেন হিন্দু শিক্ষক পিরোজপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিশেষ সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন কাউখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে দেখা গেল সাপ কাউখালী উপজেলা অস্থায়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই চিকিৎসক নেই বেড, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে কাউখালীতে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে হাইজিন কিট বিতরন পিরোজপুরে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অথের্র চেক বিতরণ কাউখালীতে জমি জমা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৪, গ্রেপ্তার ৪ নেছারাবাদে রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ব্র্যাকের মানবিক সহায়তা প্রদান সরকার আপনাদের পাশে আছে, আমরা আপনাদের খোঁজখবর নিচ্ছি- জেলা প্রশাসক জাহেদুর রহমান কাউখালীতে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সার, বীজ ও নারকেল চারা বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় ২ পথচারী নিহত, আহত ৪ সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে এলাকার শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব- মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
গাজীপুরে ডিজিটাল আইনের মামলায় ৩ সাংবাদিক রিমান্ডে

গাজীপুরে ডিজিটাল আইনের মামলায় ৩ সাংবাদিক রিমান্ডে

গাজীপুরে ডিজিটাল আইনের মামলায় ৩ সাংবাদিক রিমান্ডে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানা পুলিশের তদন্ত পরিদর্শক মোহাম্মদ আফজাল হোসাইনের দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় গ্রেপ্তার থাকা তিন সাংবাদিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে এনেছে পুলিশ। গেল মঙ্গলবার কারাগার থেকে দৈনিক যোগফলের গাজীপুর সদর প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান খান, স্টাফ রিপোর্টার মো. মোজাহিদ ও দৈনিক মুক্ত বলাকার স্টাফ রিপোর্টার মো. মিলন শেখ নামের ওই তিন সাংবাদিককে জয়দেবপুর থানায় রিমান্ডে আনা হয়।

গ্রেপ্তারের পৌনে দুই মাস পর ওই তিন সাংবাদিককে রিমান্ডে আনা হল। গত পহেলা জুন মামলাটি জয়দেবপুর থানায় দায়ের হয়। ওই মামলায় অন্য আসামিদের মধ্য দৈনিক যোগফলের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুল্লাহ বাদল বর্তমানে জামিনে আছেন।

মামলায় আর এক আসামি সাহিদা আক্তার বাদির বিরুদ্ধে ঘুস নেওয়ার অভিযোগে বক্তব্য দিয়েছিলেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) উপ-পরিদর্শক বিশ্বজিৎ জানান, ‘জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের স্বার্থে রিমান্ডে আনা তিন সাংবাদিকের মধ্য একজনের মোবাইল ফোনের পাসওয়ার্ড খোলা সম্ভব হচ্ছিলো না। এ কারণে এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ প¦ার্শবর্তী শ্রীপুর থানা পুলিশের এক কর্মকর্তার কাছে মো. মোজাহিদকে নেওয়া হয়।’

বিশ্বজিৎ আরও জানান প্রায় ২০ দিন আগে তিনি এই মামলার আইও নিয়োজিত হয়েছেন। রিমোন্ডে নেওয়া আসামি মোজাহিদের মোবাইলের পাসওয়ার্ড খুলতে পারছিলেন না বলে তিনি শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান খানের সহায়তা নিতে আসামিসহ শ্রীপুর থানায় নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে আইনজীবী কাজী মাজেদুল আলম যোগফলকে বলেন, দক্ষতা না থাকলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার তদন্ত ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। এতে আসামিরা আরও হয়রানির শিকার হতে পারে।

জয়দেবপুর থানা পুলিশের লজিস্টিক সাপোর্ট দুর্বল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে যোগফলকে মনিরুজ্জামান খান বলেন, পুলিশ তো সারা দেশে একই। তিনি পারদর্শী বলে তার সহায়তা নেওয়া হয়েছে কিনা এমন প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন।

আইটি বিশেষজ্ঞ প্রান্ত রায় প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন, তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকলে কারও সহায়তা নিয়ে জোড়া তালি দেওয়া সম্ভব হলেও প্রকৃত অবস্থানে পৌঁছা সম্ভব নয়।

তবে এক থানা পুলিশের আবেদনে রিমান্ডে আনা আসামি অন্য থানায় নিতে গেলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আগে দেখতে হবে কি মামলায় রিমান্ডে আনা হয়েছে। তা ছাড়া হাওয়া খেতে খেতে এক থানা থেকে আর এক থানায় গেলে সমস্যা কি?

এ ব্যাপারে দৈনিক যোগফলের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুল্লাহ বাদল জানান, গেল ৩১ মে রাত এগারোটা ২০ মিনিটে মামলার চুড়ান্ত সময় দেখানো হয়েছে। অথচ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় তার [আসাদুল্লাহ বাদল] ফেসবুকের স্ক্রিনশর্ট দেখানো হয়েছে ওই সময়ের অনেক পরের। যা মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। সংবাদ প্রকাশ হয়নি অথচ শুধু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে একটি সংবাদপত্রের সম্পাদক ও প্রকাশককে আসামি করা পুলিশের ক্ষোভের বহিপ্রকাশ।

এই মামলা দায়ের হওয়ার সম্পাদক পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৩ জন শিক্ষক, ৩৩টি ছাত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, টিআইবি, আর্টিকেল নাইনটিন, সিপিজে, রিপোটার্স উইদাউট বর্ডারসসহ আরও কয়েকটি সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!