শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
ভান্ডারিয়ায় সুন্দরবন কুরিয়ার এন্ড পার্সেল সার্ভিসের উদ্বোধন ছিনতাই হওয়া গাড়ি ভান্ডারিয়া থেকে উদ্ধার তিন মামলায় গোল্ডেন মনির ফের ৯ দিনের রিমান্ডে ‘বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধু’ করোনায় আরো ৩৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৩৬ বাসে অগ্নিসংযোগ: বিএনপির ৬৫ নেতাকর্মীর জামিন বহাল ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী শেরপুরের ‘মাইসাহেবা’ মসজিদ আন্দোলনের নামে অশান্তি সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: ওবায়দুল কাদের বুকের রক্ত দিয়ে হলেও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন হবেই: ড. আওলাদ সেরা অভিনেতা তারিক আনাম, সেরা অভিনেত্রী সুনেরা; ন’ডড়াই সেরা চলচ্চিত্র পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাফরুল্লাহ খান জামালির মৃত্যু বগুড়ায় পুলিশ পরিচয়ে টাকা ছিনতাই, ৬ বছর পর আসামি গ্রেপ্তার আমিরাতে হামলার হুমকি দিল ইরান এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: মামলার অভিযোগপত্র দাখিল আজ ভান্ডারিয়ায় ৬ষ্ঠদিনে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের কর্মবিরতি বিএনপির রাজনীতি ফেসবুক ও ভিডিও কলে সীমাবদ্ধ : ওবায়দুল কাদের মুক্তি পাচ্ছেন ইয়েমেনে বিদ্রোহীদের হাতে বন্দী ৫ বাংলাদেশি ২ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবাসহ মিয়ানমারের ৭ নাগরিক আটক করোনায় আক্রান্ত এমপি এমিলি ভারতে নতুন করে সাড়ে ৩৬ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত



অবিশ্বাস্য, অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে এই প্রাণী!

অবিশ্বাস্য, অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে এই প্রাণী!



অক্সিজেন ছাড়া কোনও প্রাণী বাঁচতে পারে না। কিন্তু, বর্তমানে কয়েকজন বিজ্ঞানী এমন একটি প্রাণী খুঁজে পেয়েছেন, যা অক্সিজেন ছাড়াও বহাল তবিয়তে বেঁচে থাকতে পারে। এই আবিষ্কার প্রাণীজগৎ সম্পর্কে ধারণা আমূল বদলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কী সেই আবিষ্কার
সম্প্রতি ইসরায়েলের তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা মাত্র ১০টি কোষে তৈরি একটি পরজীবীর খোঁজ পেয়েছেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম হেনেগুয়া সালমিনিকোলা (Henneguya salminicola)। এই প্রাণীটি দেখতে জেলিফিশ ও প্রবালের মতো। স্যালমন মাছের পেশীতে বাস করে এই প্রাণী। গবেষকদের এই আবিষ্কারে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে গোটা বিশ্বে।

অ্যারোবিক রেসপিরেশন বা সবাত শ্বসন
এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অধ্যাপক ডরোথি হিউচন। তিনি বলেন, মানুষ এবং সমস্ত জীবজন্তু ‘অ্যারোবিক রেসপিরেশন’-এর ওপর নির্ভরশীল। অর্থাঃ শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন আবশ্যক। কিন্তু, হেনেগুয়া সালমিনিকোলা অ্যারোবিক রেসপিরেশনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ডরোথি আরও জানিয়েছেন, শরীরে শক্তি উৎপাদনের জন্য সবাত শ্বসন হল অন্যতম প্রধান উৎস। কিন্তু, যে প্রাণীর খোঁজ পাওয়া গেছে, জীবজগতের প্রথাগত ধারণার বাইরে থেকেও সেটি বেঁচে রয়েছে।

পার্থক্য কোথায়
অধ্যাপক ডরোথির কথায়, এই পরজীবীর শরীরে মাইটোকন্ড্রিয়াল জিনোম নেই। ফলে এদের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের একেবারেই প্রয়োজন হয় না। বিশ্বের প্রতিটি প্রাণীর দেহে প্রচুর পরিমাণে মাইটোকন্ড্রিয়া পাওয়া যায়। দেহে শক্তি বা এনার্জি উৎপাদনে যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেকারণেই মাইট্রোকন্ড্রিয়াকে ‘কোষের শক্তিঘর’ বলা হয়। অক্সিজেন গ্রহণ করলে তবেই তা শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যে প্রাণীর দেহে সেই শক্তি তৈরির জায়গাই নেই, তার অক্সিজেন নেওয়ার প্রয়োজনও হয় না।

কোন পথে বিবর্তন
এই পরজীবীর কীভাবে বিবর্তন হল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি গবেষকরা। তাদের অনুমান, মাছের শরীর থেকেই হয়তো এই পরজীবী প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগার করে। কিন্তু অ্যানএরোবিক বা অবাত শ্বসনকারী ব্যাকটিরিয়াগুলোও তো অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচে। তাহলে ওই সমস্ত ব্যাকটিরিয়ার সঙ্গে হেনেগুয়ার ফারাক কোথায়? ডরোথির ব্যাখ্যা, ‘জলভাগে বিভিন্ন জীব যেভাবে জীবনধারণ করে, সেখানে অক্সিজেন গ্রহণ না করেও শক্তি উৎপাদন সম্ভব। কিন্তু হেনেগুয়ার শারীরিক গঠন ঠিক এ রকম নয়। হয়তো এটি যে প্রাণীর শরীরে বসবাস করে, তার থেকে শক্তি টেনে নেয়।’ সূত্র: লাইভ সায়েন্স

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন










© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana