রবিবার, ১৪ Jul ২০২৪, ১১:০৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
নাজিরপুরে যে কারনে মাকে কুপিয়ে হত্যা করলো ছেলে ৯ বছরের সাজার জন্য ৩৫ বছর পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩৩ দিন হলেও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি কাউখালীতে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলাম শিক্ষার ক্লাস নিচ্ছেন হিন্দু শিক্ষক পিরোজপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিশেষ সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন কাউখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে দেখা গেল সাপ কাউখালী উপজেলা অস্থায়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই চিকিৎসক নেই বেড, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে কাউখালীতে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে হাইজিন কিট বিতরন পিরোজপুরে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অথের্র চেক বিতরণ কাউখালীতে জমি জমা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৪, গ্রেপ্তার ৪ নেছারাবাদে রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ব্র্যাকের মানবিক সহায়তা প্রদান সরকার আপনাদের পাশে আছে, আমরা আপনাদের খোঁজখবর নিচ্ছি- জেলা প্রশাসক জাহেদুর রহমান কাউখালীতে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সার, বীজ ও নারকেল চারা বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় ২ পথচারী নিহত, আহত ৪ সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে এলাকার শতভাগ উন্নয়ন করা সম্ভব- মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী বায়জিদ কাউখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রের আত্মহত্যা কাজল সভাপতি- নুর উদ্দিন সম্পাদক পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন ভাণ্ডারিয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড: অধ্যাদেশে সই করলেন রাষ্ট্রপতি

ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড: অধ্যাদেশে সই করলেন রাষ্ট্রপতি

ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অধ্যাদেশে সই করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।জাতীয় সংসদের অধিবেশন না থাকায় রাষ্ট্রপতির এই স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনে পরিণত হলো। সংসদ অধিবেশন শুরু হলে এটি আইন আকারে পাস হবে। এর আগে দেশে ক্রমাগত যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্যে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইনের একটি সংশোধনী প্রস্তাব গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। ধর্ষণের সাজা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন, সাধারণ জখম হলে আপসের বিধান রেখে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০০’-এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রপতি একমত পোষণ করায় আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে অধ্যাদেশ জারি করা হয়। একইসঙ্গে মন্ত্রিসভায় এ আইনের আরো দুটি ধারায় পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে বিদ্যমান আইনটির সংশোধিত খসড়া অধ্যাদেশ আকারে জারির জন্য চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংসদ চালু না থাকায় এটি রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ আকারে জারি করতে পারবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে সংসদের অধিবেশন নেই, অন্যদিকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় রাষ্ট্রপতির কাছে বিষয়টি যদি সন্তোষজনক মনে হয়, তাহলে তিনি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারবেন।’ মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, “২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) উপধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিদ্যমান আইনের ১১(গ) ধারায় রয়েছে, ‘সাধারণ জখম করার জন্য অনধিক তিন বছর বা অন্যূন এক বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, এই দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।’ এ ধারাটির শাস্তির বদলে সাধারণ জখমের ক্ষেত্রে আপস করার বিধান রাখা হচ্ছে।” গত ৪ অক্টোবর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মধ্যবয়সী এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। জড়িতদের বেশির ভাগকে গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশজুড়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেও প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্বর ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। সেসব খবর প্রতিদিনই প্রকাশিত হচ্ছে সংবাদমাধ্যমে। বাংলাদেশে বিদ্যমান ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০০’ অনুযায়ী ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু হলে বা দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। পাশাপাশি দুই ক্ষেত্রেই অর্থদণ্ডের বিধান আছে। এ আইনে মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সাত দিন থেকে এক মাস এবং মামলা নিষ্পত্তির জন্য ১৮০ দিন, অর্থাৎ ছয় মাস সময় বেঁধে দেওয়া হলেও বাস্তবে এ সময়ের মধ্যে রায় দেওয়া সম্ভব হয় না। একারণে এসংক্রান্ত আইন সংশোধনের দাবি ওঠে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana
error: Content is protected !!