রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৫২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কাঠালিয়ায় ৫০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর নির্যাতিতা পূর্ণিমা রাণী শীলকে নিয়ে চলচ্চিত্র, যুক্ত হলেন সালওয়া রাতে সামাজিক অনুষ্ঠানে স্ত্রী, ফিরে দেখলেন স্বামীর লাশ রেলবহরে যুক্ত হবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা : রেলমন্ত্রী কর্পোরেট গভর্নেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল দি পেনিনসুলা ‘ভারত ভ্যাকসিন দিয়ে বন্ধুত্বের অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছে’ ‘দশম-দ্বাদশে নিয়মিত ক্লাস, অন্যান্য শিক্ষার্থীর সপ্তাহে ক্লাস একদিন’ দুদিনের মধ্যে গেজেট, এরপর এইচএসসির ফল : শিক্ষামন্ত্রী মঠবাড়িয়া ভূমি অফিসের দুর্নীতি সরকারের উন্নয়ন ম্লান করছে -সাংসদ ডাঃ রুস্তম আলী ফরাজী মঠবাড়িয়ায় রহস্য জনক নববধূ নিখোঁজ ॥ থানায় জিডি শুধু নারীই নয় টাকা দিলেই আর যা যা মেলে কারাগারে বরুণের বিয়েতে পুলিশ পাহারা, কভিড রিপোর্ট দেখিয়ে ঢুকতে হবে অতিথিদের মালদ্বীপে গিয়ে নিজেকে প্রকাশ করছেন সারা আলি বার্সার আপিল প্রত্যাখান, মেসির নিষেধাজ্ঞা বহাল ঘর পেয়ে ঘরে ঘরে আনন্দ! বিয়ের কয়েকঘণ্টা আগে দুর্ঘটনায় বরু্ণের গাড়ি চেহারা থেকে ক্লান্তি দূর করতে চান? গোসলের পানিতে এই কয়টি জিনিস মেশান কত দূর যেতে পারবেন জো বাইডেন কমলাপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে দিনাজপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাচ্ছেন ৪,৭৬৪ টি গৃহহীন পরিবার
ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী শেরপুরের ‘মাইসাহেবা’ মসজিদ

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী শেরপুরের ‘মাইসাহেবা’ মসজিদ

আনুমানিক ২৫০ বছর আগে মসজিদটি নানা চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে বৃহত্তম অঞ্চল জুড়ে মসজিদটির খ্যাতি রয়েছে বেশ। নানা সময়ে সংস্কারের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে এর সমৃদ্ধি আরও বেড়েছে। লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া।

মসজিদের দুপাশের সুউচ্চ ২টি মিনার ও মিনারের বর্ণিল আলোর ছটায় হয়েছে আরও সুন্দর। এটি শহরের প্রাণকেন্দ্র শেরপুর সরকারি কলেজের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। নামাজের সময় মুসুল্লিদের পদচারণায় মুখরিত হয় মসজিদ প্রাঙ্গণ। স্থাপনাটি তিন তলা বিশিষ্ট ও ৬ হাজার মানুষ এক সাথে নামাজ পড়তে পারে। বর্তমানে ১০ হাজার লোকের একসাথে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা, মহিলাদের নামাজের স্থান ও সমগ্র মসজিদ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করার কাজ চলছে। নিরাপত্তা জন্য রয়েছে সিসি ক্যামেরা।
এই মসজিদের নির্মাণ ইতিহাস থেকে জানা গেছে, ২শ বছর পূর্বে এই মসজিদটি গড়ে উঠে। মসজিদের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এর সংরক্ষণ ও তত্ত্বাবধান করেন সালেমুন নেছা বিবি (জীবদ্দশা পর্যন্ত)। তার মৃত্যুর পর ভাগনে সৈয়দ আব্দুল আলীর ওপর দায়িত্ব অর্পণ হয়। খোদার ধ্যানে সর্বদা মগ্ন ওই সালেমুন নেছাকে সবাই মা সাহেবা বলে সম্বোধন করতেন।ওই মা সাহেবার সম্বোধন করা থেকেই এর নামকরণ করা হয় “মাই সাহেবা মসজিদ”।

মসজিদ কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আলহাজ সাইফুল ইসলাম স্বপন জানিয়েছেন, কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করা হলেও টাকার কোন অভাব কখনও হয়নি। এই মসজিদটির ব্যবস্থাপনা চলে সতাতার সাথে। এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি এখানের সকল মানুষের আস্থার প্রতীক।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন













© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana