বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:১২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কাল দেশে আসছে ৩৫ লাখ ডোজ করোনার টিকা পিরোজপুরে দুই যুবলীগ নেতার হাত-পা ভেঙে দিল প্রতিপক্ষরা ওসি প্রদীপের সাজানো অস্ত্র ও মাদকের দুই মামলায় সাংবাদিক ফরিদুলের স্থায়ী জামিন : প্রত্যাহারের দাবি ঈদগাঁও ইসলামবাদে মা- মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা মঠবাড়িয়ায় আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ ভোজ্য ও প্রাণিখাদ্যে ব্যবহৃত লবণে আয়োডিন না থাকলে জেল-জরিমানা যা করতে এসেছিলাম; তা-ই করেছি: ট্রাম্প শাহজালালে ২ কোটি টাকার সোনা আটক গরুর মাংস খাওয়া নিয়ে কথা বলায় অভিনেত্রীকে গণধর্ষণ ও খুনের হুমকি সবার নজর আজ সাকিবের দিকে নীরব ঘাতক ১০ মৌখিক পাপ ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন বাইডেন, জেনে নিন সময় পাথর বোঝাই ডাম্পারের নিচে চাপা পড়ে নিভে গেল ১৪ প্রাণ এবার শাওমির ওপর ট্রাম্পের খড়্গ কাউখালী জেপির সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) আবু সাইদ মনু যেসব টিভিতে দেখা যাবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন : রাষ্ট্রপতি চেলাকাঠ দিয়ে ট্রাফিক সার্জেন্টকে পেটালেন যুবক সৎ মায়ের মার খেয়ে চাচার ঘরে রাত্রীযাপন, অন্তঃসত্ত্বা হলো ভাতিজি নলছিটিতে পছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ায় স্কুল ছাত্রীর ওরনায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা
বেকুটিয়ার মৈত্রী সেতু চালু হবে ২০২২ সালের জুনে

বেকুটিয়ার মৈত্রী সেতু চালু হবে ২০২২ সালের জুনে

বিশেষ প্রতিবেদক ॥ চট্টগ্রাম-বরিশাল-খুলনা-মোংলা জাতীয় মহাসড়কের কঁচা নদীর উপর বেকুঠিয়াতে বাংলাদেশ-চীন ৮ম মৈত্রী সেতুর নির্মান কাজ ইতোমধ্যে ৬০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৬০ ফুট উচ্চতার চার লেন বিশিষ্ট সেতুটি নির্মানে চীন সরকার ৬৬৭ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে নির্মান প্রতিষ্ঠান ‘চায়না রেলওয়ে ১৭ ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানী লিমিটেড’র কয়েকশ প্রকৌশলী ও কর্মী ছাড়াও কয়েক হাজার দেশীয় শ্রমিক-কর্মচারী দিনরাত এ সেতু এলাকায় এখন কর্মরত। করোনা মহামারী সংকটের কারনে সেতুটির নির্মান কাজ কিছুটা বাঁধাগ্রস্থ হওয়ায় বাস্তবায়নকাল কিছুটা পিছিয়ে ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে এর নির্মান কাজ সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন সড়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প ব্যবস্থাপক। ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুটি পদ্মা ও যমুনা সেতুর পরে দেশের অন্যতম বৃহত্তম সড়ক সেতু। এ সেতুটি নির্মানের ফলে চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ১৬টি জেলার সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ছাড়াও দেশের ৩টি সমুদ্র বন্দরের মধ্যেও সড়ক পরিবহন সহজতর হবে। এমনকি বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলার সাথেও বেনাপোল ও ভোমড়া স্থল বন্দরের ফেরি বিহীন সংক্ষিপ্ত সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে।
এক হাজার ৪৯৫ মিটার দীর্ঘ সেতুটির ৯২টি পাইল ও ১০টি পাইল ক্যাপ ছাড়াও ভায়াডাক্ট সেতুর সব পাইল ও পাইল ক্যাপের নির্মান কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতুর ১০টি পিয়ার ও পিয়ার ক্যাপ এবং ভায়াডাক্টের ১৫টি পিয়ারও সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া মূল সেতুর সুপার স্ট্রাকচারের বক্স গার্ডার ও স্লাব নির্মানের প্লটফর্ম ও স্টেইজিং-এর কাজ শুরুর হয়েছে। খুব শীঘ্রই বক্স গার্ডারের কাষ্টিং শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক। এছাড়া সেতুটির পিরোজপুর প্রান্তের ১ হাজার ২৩ মিটার সংযোগ সড়কের মাটির কাজ ও ইমপ্রুভ সাব-গ্রেড’এর কাজও চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বরিশাল প্রান্তের ৪৪৪ মিটার সংযোগ সড়কের মাটির কাজও চলছে। প্রকল্পটির সেতু ও সংযোগ সড়কের জন্য ১৩.৩৩ হেক্টর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। মূলত জমি অধিগ্রহনের জটিলতার কারনেই বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের পরেও দীর্ঘ ২০ মাসেরও বেশী সময় পার হয়ে যায় প্রকল্পটির কাজ শুরু করতে। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন বিলম্বিত হবার এটিও অন্যতম কারন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
‘চায়না রেলওয়ে ১৭ ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানী লিমিটেড ’ নামের চীনের উহান প্রদেশের একটি নামকরা নির্মান প্রতিষ্ঠান সেতুটির নির্মান কাজ করছে। ১৩.৪০ মিটার প্রস্থ এ সেতুটি ৮টি পীয়ারের ওপর ৯টি স্প্যানে নির্মান হচ্ছে। দুটি এবাটমেন্ট-এর ওপর সেতুটির ভায়াডাক্ট থাকছে ৪৯৫ মিটার। এর তলদেশ দিয়ে নৌবাহিনীর বড় মাপের যুদ্ধ জাহাজ ছাড়াও পণ্য ও জ্বালানীবাহী উপকুলীয় নৌযান চলাচলের লক্ষ্যে ১২২ মিটার হরিজেন্টাল ক্লিয়ারেন্স রাখা হচ্ছে। সেতুটির দুু প্রান্তে ১ হাজার ৪৬৭ মিটার দৈর্ঘ সংযোগ সড়কেও ১টি সেতু ও একটি কালভার্ট নির্মান করা হচ্ছে।
প্রায় ৯শ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন এ সেতুটির জন্য চীন সরকার ৬৫৪ কোটি টাকা সম্পূর্ণ অনুদান প্রদান করছে। চীনা অনুদানে বাংলাদেশে এটি ৮ম সেতু।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন













© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana