রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০২:৩৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বিশ্বকাপে কখনো মেক্সিকোর বিপক্ষে হারেনি আর্জেন্টিনা মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ব্যান্ডরোল বিড়ির ছড়াছড়ি \ সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব কাউখালীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ভান্ডারিয়ায় বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় নবনিযুক্ত পৌর প্রশাসক কে সংবর্ধনা ভান্ডারিয়ায় আগুন লেগে ৮টি দোকান ভস্মীভূত কাউখালী উত্তর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ৩ ডিসেম্বর কাউখালীতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল উদ্ধার। পিরোজপুরে টমটম- অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত- ১ শোক সংবাদ: কামরুজ্জামান মিঠু মঠবাড়িয়ায় বন্যা পরবর্তি আশ্রয়ন এলাকা পরিদর্শণ করলো উপজেলা প্রশাসন : ইউএনও‘র কৃতজ্ঞতা স্ট্যাটার্স কাউখালী প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠান স্বরূপকাঠিতে খেয়া থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজের ছয় ঘন্টা পরে মৃতদেহ উদ্ধার মঠবাড়িয়ায় স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত : অভিভাবকদের সচেতন থাকার পরামর্শ “কর্মচারী সংকট।প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা” ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৬৬ বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক দেশের মানুষ আগ্নেয়গিরির মতো ফুঁসে উঠছে: ফখরুল কাউখালীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী প্রতিপক্ষের আঘাতে যখম মঠবাড়িয়ায় জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে গরু দেবার কথা বলে গরু ও ছাগলের বাচ্চা দেয়ার অভিযোগ ! কাউখালীতে কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন কাউখালীতে প্রতিবন্ধী দম্পত্তির স্ত্রীর সিজারিয়াল অপারেশনের খরচ দিলেন জেলা প্রশাসক
“কর্মচারী সংকট।প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা” ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৬৬ বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

“কর্মচারী সংকট।প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা” ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৬৬ বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রধান শিক্ষকের সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সহকারি শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ পূরণ করার প্রক্রিয়া চলছে। শুধু শিক্ষক নয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়সহ জেলার ৯ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে রয়েছে কর্মচারী সংকট।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১ হাজার ১০৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৬৬ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষক না থাকা ৫৬৬ বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩১৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষকগণ স্ববেতনে প্রধান শিক্ষকের (চলতি দায়িত্ব) পালন করছেন। বাকী ২৪৯ বিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষক না থাকায় ওই বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, সদর উপজেলার ১২৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬১ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ৬১ বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩১ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ৩০ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। নবীনগর উপজেলার ২২১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১২২ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ১২২ বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৮ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ৫৪ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। কসবা উপজেলার ১৬৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮৮ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ৮৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬০ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ২৮ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। সরাইল উপজেলার ১২৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬২ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ৬২ বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩১ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ৩১ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬২ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ৬২ বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৮ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ২৪ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। আখাউড়া উপজেলার ৫৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ১৯ বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ১২ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। নাসিরনগর উপজেলার ১২৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৭ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ৬৭ বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৯ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ২৮ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। আশুগঞ্জ উপজেলার ৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ২৬ বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৬ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ১০ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। বিজয়নগর উপজেলার ১০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৯ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এই ৫৯ বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন, বাকী ৩২ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. খোরশেদ আলম জানান, জেলার ৫৬৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এর মধ্যে ৩১৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা স্ববেতনে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। ২৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক নেই।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা আরও জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বেশ কয়েকদফা অবহিত করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ পূরণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শুধু প্রধান শিক্ষকই নয়, রয়েছে কর্মচারী সংকটও। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে ক্যাশিয়ারসহ ৩ পদে কর্মচারী নেই। এছাড়াও জেলার ৯টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়েও রয়েছে কর্মচারী সংকট |

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন










© All rights reserved © 2019 pirojpursomoy.com
Design By Rana