বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর শিক্ষকের বিরুদ্ধে কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাদপ্তরে লিখিত যৌন হয়রানির অভিযোগ জানিয়েছিলেন ওই ছাত্রী। তার অভিযোগ, ওই শিক্ষক শুরু থেকেই তাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। এরপর থেকেই নানা অজুহাতে তাকে ‘বাজে স্পর্শ’ করেন। ‘খারাপ নজরে’ তাকান তার দিকে। আর প্রায়শই যৌনতার কথা বলেন।
ওই ছাত্রী আরও বলেন, ‘শুরুতে আমি হোস্টেলে থাকতাম। রাতে একদিন তিনি ফোন করে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। হোস্টেলের অগ্রজদের পরামর্শে স্যারের নম্বর আমি ব্লক করে দিই। ভয়ে আমি হোস্টেল ছেড়ে মেসে থাকতে শুরু করি। কিন্তু, তারপরও বন্ধ হয়নি তার যৌন হেনস্তা।’
এমনকি সেমিস্টার পরীক্ষায়ও অভিযুক্ত শিক্ষক অভিষেক বেরা অসভ্যতা করেন উল্লেখ করে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করে আমাকে লাস্ট বেঞ্চে বসতে বাধ্য করতেন। পরীক্ষা চলাকালীন চটুল কথা বলতেন।’
জানা যায়, আইসিসির (ইন্টার্নাল কমপ্লেন কমিটি) রিপোর্টে দোষী সাব্যস্ত হলে ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়। করোনার কারণে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন চলছে। জানা গেছে, ওই ছাত্রী নতুন শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশন করেননি।
কেন তিনি রেজিস্ট্রেশন করেননি তা জানতে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফারুক আলী সেই ছাত্রীকে ফোন করেন। ফোনে তিনি জানান, ওই কলেজে তিনি আর যাবেন না। কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে ওই কলেজে আবার ফেরানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তা জানার পরেই ওই ছাত্রী কলেজ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সুত্র dhaka wave.com